বাংলা কবিতা : বার্ধক্য ও শৈশব

images (14).jpeg

Image source
আজ আমি সকলের সামনে শেয়ার করছি "বার্ধক্য ও শৈশব "নিয়ে কবিতা ।আশা করি আপনারা সবাই পছন্দ করবেন আমার কবিতা। জীবনের অবিরাম প্রক্রিয়ায়আমরা জীবনের এই বাস্তব অভিজ্ঞতার সম্মুখীন সবাইকে হতে হবে তারই নিরেখে কবিতা টি লিখা হয়েছে।সবাই চয়ন করেন আশা করি অনেক বাস্তব উপলদ্ধি হবে। জীবন সম্পর্কে অনেক কিছু ধারণা পাবেন।

আমি বড় ক্লান্ত।
দিশাহীন, উদ্দেশ্য, অজানা গন্তব্য,
চলেছি কালো চাঁদের ঢাকা মনে।
বাঘনখ ,দানবের হিংস্র পেশী, লোভাতুর চাহুনি,
ঘুট ঘুটে অন্ধকার।
সে যেন ফিস ফিস করে বলে যায়,
সময় হয়েছে বিদায় নেওয়ার।
সেই ছোট্ট বেলা ভিড় করে আসে অবরে সবরে
সেই মা এর স্পর্শ, বাবার গা এর গন্ধ, বায়না করে না পাওয়া
কিছু কষ্ট,অভিমান,রাগ।
দিদি দাদাদের স্নেহ ভালোবাসা, বড়দের প্রতি হিংসা, তাদের স্বাধীনতার প্রতি ঈর্ষা।
আমি হারিয়ে যাই, ওই খেলার মাঠে ফুটবলের লাথিতে।
হারিয়ে যায় পংকজ, ভীম, শিবুদের সাথে।
আজ চলতে গেলে কষ্ট হয়, কোমরের, হাঁটুর ব্যথা
চলার ইচ্ছা টাকেই হারিয়ে দিয়েছে।

ওই দেখো, শরতের আকাশে কত রঙের খেলা?
দেখো ওই তুলোর মত টুকরো মেঘ কেমন স্বাচ্ছন্দ্য ইচ্ছামত
ভেসে বেড়ায়, কারোর কোনো বাধা নেই, বারণ নেই, শাসন নেই।
উন্মুক্ত, নিজেই নিজের অভিভাবক।
পঙ্কজদের বাড়ি থেকে পেয়ারা চুরি করে খাওয়া।
বাবার কাছে মেসোমশাই এর চুরির অভিযোগে।
লুকিয়ে লুকিয়ে পেয়ারা খে গুটি গুটি পায়ে বাড়ি ঢোকার মুখে
মা এর রান্না করা শক্ত হাতের বিরাশি সিক্কার থাপ্পড়
একি শুয়ে আছি বিছানায়,
ছোট বেলা থেকে এক থাপ্পড় ফিরে এলাম বর্তমানে।
আফসোস হচ্ছিল, এই ভেবে নয়, যেন মা মেরেছেন?
এই ভেবে যে আমি ছোট্ট বেলা থেকে ঝুপ করে বর্তমানে ফিরে এলাম।

Powered by @greenphotoman